লেখক : মো: রবিউল ইসলাম
লেখকের কিছু কথা : আমি আমার ভিউয়ার্স দের উদ্দেশ্য করে বলছি।বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) এর জিবনিতে তাহার নিজের মুখের কয়েকটা ওয়াজ রয়েছে যার মধ্যে অনেক জ্ঞান মুলক কথা রয়েছে যা সকল মুসলিম ভাইদের জানা দরকার।কিন্তু লিখতে গেলে অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।তবে আমি লিখতে পারবো যদি তোমরা পরতে বা জানতে চাও তবে কমেন্ট বক্সে লিখো।জানতে চাই।তবে আমি বড়পীর (র:) এর ওয়াজ তোমাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করবো ধন্যবাদ।
21 তম অর্ধায় এক দৈত্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহন করাইলেন বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:)
* একদা হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) রাত্রিতে ইবাদতের জন্য মনসুর নামক মসজিদে গমন করিলেন।নামাজে রত হইলে সেখানে এক দৈত্যের আগমন ঘটিল।সর্পরুপ ধারন করিয়া দৈত্যটি মসজিদে প্রবেশ করিয়া হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) এর সম্মুখে আসিল।হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) সিজদা করিবার জন্য জমিনে মস্তক রাখিলেন,অমনি সাপটি তাহাকে বার বার দংশন করিতে লাগিল।প্রথম সিজদাহ হ ইতে মাথা তুলিয়া হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) হস্ত দ্বারা সাপটিকে সরাইয়া দিয়া দ্বিতীয় সিজদায় পতিত হলো।সাপটি পূর্বের ন্যায় আবার ফনা মেলিয়া দংশন করতে লাগল। অতঃপর হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) দুই রাকাত নামাজ পরে আত্তাহিয়াতু পরতে বসিলেন।তখন সাপটি তাহার গলা জরাইয়া ধরল এবারো হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) ধৈর্য্য সহকারে সাপটিকে সরাইয়া দিলেন। অতঃপর তিনি নামাজে মনযোগ দিলেন।তামায শেষে সাপটিকে আর দেখা গেল না।সাপটি ঐ সময় অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল।
পরের দিন আবার ঐ মসজিদের উদ্দেশ্যে গমন করিলেন।তিনি মসজিদে প্রবেশ করিয়া আসন গ্রহন করিলে একজন অপরিচিত লোক তাহার নিকট আসিয়া আদব-কায়দা সহকারে বসিল।হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) তাহাকে প্রশ্ন করিলেন আপনি কে ভাই..?কোথা হইতে আসিয়াছেন...?লোকটি উত্তর করিল হুজুর আমাকে আপনি ক্ষমা করিয়া দিন।আমি গতকাল রাতে সর্পের বেশ ধরিয়া আপনার সহিত অতিশয় বেয়াদবী করিয়াছি,আপনার এবাদতে বিগ্ন ঘটাইছি,আমি আপনার নিকট মহা অপরাধি।অনুতপ্ত হইয়া আজ আবার আসিয়াছি ক্ষমা লাভের আশায় আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) বলিলেন আমি তোমাকে পূর্বেই ক্ষমা করে দিয়াছি।যদি তোমাকে ক্ষমা না করতাম তবে আমার করাঘাতে ঐ সময়ই তোমার মৃত্যু ঘটিত।তোমার কোন চালাকি কোন কাছেই আসিত না।তুমি কিছুতেই রক্ষা পাইতেনা।এইবার বল তুমি কে কেনই বা সর্পরুপ ধরে বনি আদমকে কষ্ট দিয়ে থাকো।ইহাতে তোমার কি ফায়দা হয়।
লোকটি কাতর কন্ঠে বলিল হুজুর আমিতো কোন মানব নই।আমি আহবান্নাস বংশের শক্তিশালী দৈত্য।বহুকাল ধরিয়া সর্পরুপ ধারন করিয়া সারা জাহানের শুধূ পুরুষগনকে পরিক্ষা করিয়া আসিতেছি।আপনার ন্যায় মহা হ্নদয়বান কোন সাধু-সাধক আর কোথাও খুজিয়া পাইলামনা।আপনার অহ্নিংসা হ্নদয় আমাকে আকৃষ্ট করেছে।আমি আশা করিতেছি আপনার নিকট ইসলাম ধর্ম গ্রহন করিব।আপনার মোহবতে থাকিয়া ইলমে মারেফাত হাসিল করিয়া ধন্য হইব।আপনি আমাকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষা দিন।হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:)তখন দৈত্যটাকে ইসলাম ধর্মে দিক্ষিত করলেন।নব মুসলিম দৈত্যটি পরম সন্তুষ্ট হইয়া ইলমে মারেফতের শিক্ষা করিলেন।হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) তাহাকে ইসলামের বিধিবিধান এবং ইলমে মারেফতের শিক্ষা দিতে লাগিলেন।
পরবর্তি অর্ধায়
একজন বিজ্ঞ খৃষ্টানের ইসলাম গ্রহন

0 মন্তব্যসমূহ