লেখক: মো: রবিউল ইসলাম
20 তম অর্ধায়
কতিপয় আলেমের অলীয়ে কালেম স্বীকৃত প্রদান
মহান আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) এর সুনাম যশ সারা বিশ্বে ছরিয়ে পরলো।তাহার শিক্ষাদিক্ষায় আলোকিত হইয়া উঠিল বাগদাদ নগরী।মুসলিম জাহানেউ তাহার জ্ঞান গরিমা বিস্বৃত হইয়া উঠিল।দলে দলে তাহার এরুপ পতিপত্তিতে বাগদাদের কতিপয় আলেম তাহাকে সহ্য করতে পারিতেছিলনা।তাহারা হিংসায় কাতর হইয়া একদা একজোট হইল এই উদ্দেশ্যে যে হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:)কে পরিক্ষা করিবে।বিভিন্ন প্রশ্ন করিয়া তাহাকে নাজেহাল করিবার পড় একদিন একশত আলেম তাহার গৃহে আসিয়া উপস্থিত হইল।
হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) আগত অতিথিদের সাদর আভ্যর্থনা জানাইলেন।এবং স্বীয় আসনে বসিয়া মাথানত করিয়া মোরাকাবায় রত হইলেন।আল্লার অপার মহিমা মোরাকাবা অবস্থায় তাহার বক্ষ হইতে এক ঝলক নূরের জ্যোতি বাহির হইয়া উপস্থিত আলেমগনের বক্ষ ভেদ করিয়া তাহাদের অন্তরে আঘাত হানিল।নুরের ঝলক সহ্য করতে না পেরে আলেমগনেরা চেতন হারাইয়া অস্থীরভাবে চিৎকার আরম্ভ করিয়া দিল।তাহাদের অবস্থা এমন হোল যে নিযেদের পরনের পোশাক ছিরতে আরম্ভ করল।মাথার সাগরি খুলিয়া দুরে নিক্ষেপ করিল।
হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) কিছুক্ষন বাদে তাহাদের এরুপ আচরন লক্ষ করিয়া বলিলেন আপনারা ছটফট করিতেছেন কেন..?আপনাদের কি হয়েছে..?কি উদ্দেশ্য লইয়া আপনারা আসিয়াছেন তাহা খুলিয়া বলুন।আগত আলেমগন হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:)এর এইরুপ কথা শ্রবন করিয়া কিছুটা শান্ত হইল।তাহাদের অন্তর হইতে অস্থিরতা দুর হইয়া গেল।কিন্তু আগে ভাগে যেসব প্রশ্ন করবে বলে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিল সবই ভুলে গেল।সকলে চেষ্টা করতে লাগিল কিন্তু কেহই স্বরন করতে পারলোনা।তাহারা চুপচাপ করে বসিয়া রইল।
হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) ইহার পর তাহাদের প্রশ্নের উত্তর একে একে দিতে লাগল।তাহার এইরুপ অদ্ভুদ ক্ষমতা অবলোকন করিয়া আগত আলেমগন বিস্মিত হইয়া গেল।তারা তক্ষুনি হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) এর জ্ঞান সাধনা স্বীকার করয়া লইল এবং অলীয়ে কামেল বলিয়া মানিয়া লইয়া অতিশয় লজ্জিতভাবে হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:) এর খানকা শরীফ পরিত্যাগ করিল।
পরবর্তি অর্ধায়
এক দৈত্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহন করাইলেন বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (র:)

0 মন্তব্যসমূহ